নিজস্ব সংবাদদাতাঃ বীরভূমঃ বীরভূমের কীর্ণাহার থানা এলাকায় এক জন ব্যক্তিকে খুনের অভিযোগে এলাকায় তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। মৃতের নাম রতন মেটে। বয়স ৫২ বছর। গ্রামেরই চার বাসিন্দা পাথর দিয়ে মাথায় আঘাত করে খুন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, শুক্রবার রতনবাবু একদল মোষ চড়িয়ে বাড়ি ফেরার সময় রাস্তার ধারে কার্তিক দাস বৈরাগ্য ও তার সঙ্গীরা বাইক নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আচমকা একটি মোষের ধাক্কায় বাইকটি রাস্তায় পড়ে যায়। এই নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে তীব্র বচসা শুরু হয়। তখনই কার্তিক দাস বৈরাগ্য, ধনা বাগদি, মমতা এবং কবিতা মিলে রতনবাবুকে মারধর শুরু করেন। এরপর বিবাদ চরমে উঠলে পাথর দিয়ে রতনবাবুর মাথায় সজোরে আঘাতও করে।

পাথরের আঘাতে তার নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বেরোতে শুরু করে। আর মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছান। এদিকে, রতনবাবুর পরিবারের সদস্যরা সহ স্থানীয়রাও খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে এসে প্রথমে স্থানীয় কীর্ণাহার প্রাথমিক হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে নানুর ও বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here
তারপর অবস্থা আরো আশঙ্কাজনক হওয়ায় বর্ধমানের একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে গতকাল রাতেরবেলা রতনবাবুর মৃত্যু হয়। ইতিমধ্যে মৃতের পরিবারের তরফে কীর্ণাহার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করেছে। পাশাপাশি অভিযুক্তের খোঁজেও তল্লাশি শুরু হয়েছে। পুলিশ এই ঘটনায় যথাযথ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে।










