রায়া দাসঃ কলকাতাঃ আজ সকাল ৯টা ১৫ মিনিট নাগাদ শিয়ালদহ স্টেশনের ফুড প্লাজায় আগুন লাগে। তিনটি দোকানে আগুন লেগেছে বলেই খবর। ইতিমধ্যেই আগুন নেভাতে উপস্থিত হয়েছে দমকল। তিনটি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজ করছে। গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায় স্টেশন থেকে। যা দেখতে পেয়েই যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এর জ্বেওস্টেশনের বাইরে প্রচুর লোকজনের ভিড় জমে যায়। এখনও ভিড় হয়ে আছে। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিশের বিপর্যয় মোকাবিলা টিমও এসে পৌঁছেছে।

জানা গিয়েছে, শিয়ালদহ স্টেশনের বাইরে যে ফুড প্লাজা রয়েছে, সেখানে আগুন লাগে। সকাল ৯টা ১৫ মিনিট নাগাদ আগুন লাগে। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে।আধ ঘণ্টারও বেশি পার হয়ে গেলেও, এখনও আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। তিনটি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে। যেহেতু পরপর সমস্ত খাবার দোকান রয়েছে এবং সেখানে রান্নার তেল সহ প্রচুর দাহ্য পদার্থ মজুত থাকে, তাই দমকলও চিন্তিত। প্রাথমিকভাবে অনুমান, রান্নার সিলিন্ডার থেকেই আগুন লেগেছে।

ফুড প্লাজায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানের কাচ ভেঙে জল দেওয়া হচ্ছে। বদ্ধ জায়গা হওয়ায় দমবন্ধকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, জল দিতে সমস্যা হচ্ছে। সেই কারণে দমকল কাঠের দরজাগুলিও ভেঙে ফেলার চেষ্টা করছে। অক্সিজেন মাস্ক পরে দমকলকর্মীরা ভিতরে ঢুকেছেন আগুন নেভাতে। সাবধানে বের করে আনা হচ্ছে বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারগুলি। আরপিএফ গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে। এর আগেও কয়েক মাস আগে একবার আগুন লেগেছিল এই ফুড কোর্টেই। তারপরও কেন সঠিকভাবে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখা হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই ফুড প্লাজাটি একটি ট্রেনের কামরাকে পরিবর্তিত করে বানানো হয়েছে। ভিতরে প্রচুর ফলস সিলিংয়ের কাজ করা রয়েছে। এগুলির কারণেও আগুন আরও ছড়াচ্ছে। ইতিমধ্যেই দমকলের আধিকারিকরাও উপস্থিত হয়েছেন। ফুড প্লাজার পাশেই রেলের হাসপাতাল রয়েছে। সেদিকে যাতে আগুন ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি যে ফুডকোর্টে থাকা একাধিক দোকানে আগুন ধরে যায়। এমনকী সেন্ট্রাল এসির ভেন্টও আগুনের তাপে গলে পড়ে গিয়েছে।










