চয়ন রায়ঃ কলকাতাঃ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য হাসপাতালে ভর্তি। ২১ শে আগস্ট কলকাতার উডল্যান্ডস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে। শনিবার তাঁকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

প্রায় দু’সপ্তাহ ধরে প্রায়শই তলপেটে ব্যথায় ভুগছেন মীরা ভট্টাচার্য। তাঁকে চিকিৎসক সৌত্রিক পান্ডার অধীনে ভর্তি করা হয়েছে। মীরা ভট্টাচার্যের চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এই মেডিক্যাল বোর্ডে কার্ডিওলজিস্ট সরোজ মণ্ডল, গ্যাস্ট্রোএনটেরোলজিস্ট শ্বাশত চট্টোপাধ্যায়, এন্ডোক্রিনোলজিস্ট সেমন্তী চট্টোপাধ্যায়। এখন মীরা ভট্টাচার্যকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। আপাতত তিনি ক্লিনিক্যালি স্টেবল বলে হাসপাতাল সূত্রের খবর।

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ও মীরা ভট্টাচার্যের সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয় শুভেন্দু অধিকারীর। পালা বদলের পর শুভেন্দু সরকারের উপর আস্থা রেখেছিলেন মীরা। বলেছিলেন, “বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্বপ্নপূরণ করবেন শুভেন্দু অধিকারী।” একটা সময় রাজ্যে শিল্প আনতে চেয়েছিলেন বুদ্ধবাবু। তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যত সুরক্ষার জন্য শিল্প কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বুঝেছিলেন তিনি। পালা বদলের পর ডানকুনি, বাঁকুড়ার মতো জায়গায় নয়া নয়া শিল্পের সূচনা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে মেজিয়ায় শ্যাম স্টিলের কারখানার নতুন ইউনিটের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপিত হয়েছে। এই সবটাই শুনেছেন বুদ্ধ-জায়া। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপর আস্থা রেখেছেন তিনি।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here
অপরদিকে, বুদ্ধ ভট্টাচার্যের মৃত্যুর পর সব রকম নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে একদম সাদা-মাটা জীবন কাটাচ্ছিলেন মীরা ভট্টাচার্য। তবে, ক্ষমতার বদল হতেই সেই নিরাপত্তা ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেয় বর্তমান রাজ্য সরকার। মীরা সেই সময় বলেছিলেন, “বুদ্ধবাবুর মৃত্যুর পরই নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছিল। এখন অবশ্য আমার নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষ মাথাব্যথা নেই। তবে নতুন মুখ্যমন্ত্রী যদি আমার কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, সেটা আমার পরম সৌভাগ্য।”










