নিজস্ব সংবাদদাতাঃ কোচবিহারঃ স্বাধীনতা দিবসে এসটিএফের বড়ো সাফল্য। পাক চর সন্দেহে কোচবিহারের সাহেবগঞ্জ থেকে ৩ জন গ্রেফতার হয়েছে। ধৃতরা হলো রশিদুল হক, নূর নাসিরুদ্দিন আলি ও শফিকুল ইসলাম। এর মধ্যে শফিকুল বিহারের কিষাণগঞ্জের বাসিন্দা। ধৃতরা পাকিস্তানের আইএসআইয়ের এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন বলে সন্দেহ। সম্প্রতি পাক চর সন্দেহে হাবরা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল রানা রউফ ওরফে ওয়াহাব আলমকে।

অভিযোগ, ভারতীয় সিমকার্ড বাংলাদেশ হয়ে পাকিস্তানে পাচার করা হত। এসটিএফ সূত্রে খবর, জাল নোট তৈরির কারবারের সঙ্গে যুক্ত ছিল ওই তিন গুপ্তচার। প্রত্যেকেই বাংলাদেশে চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতরা ভুয়ো নথি দিয়ে তোলা সিমকার্ড চোরা পথে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিত। বাংলাদেশ থেকে পাক ISI এজেন্ট সিম সংগ্রহ করত। তারপর সিম চলে যেত পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে। এই গুপ্তচরদের কাজই হল ভারতীয় নম্বর বা ভারতীয় সিম পাকিস্তানে সরবরাহ করা। মূলত, হানিট্রাপে ব্যবহার করার জন্যই নম্বর পাঠানো হত।

পাক পাঞ্জাব প্রদেশে বসেই ভারতীয় সিম ব্যবহারের চেষ্টা করে হানিট্র্যাপ নেটওয়ার্ক তৈরি করে ISI এজেন্টরা। তারপর সুন্দরী মহিলাদের ছবি ব্যবহার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যুক্তদের বন্ধুত্বের জালে ফেলে ভারতের বিভিন্ন গোপন তথ্য হাতিয়ে নেওয়া। ভারতীয় সুরক্ষাকে আরও বিপদে ফেলা। এসটিএফ-এর ধারণা, বাংলা-সহ ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে আরও গুপ্তচর ছড়িয়ে রয়েছে। সীমান্ত এলাকাতে ট্র্যাক করা হচ্ছে। আগে ভারতীয় মোবাইল নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ চালাতে ISI নিজস্ব এজেন্টদের ব্যবহার করত। এবার সরাসরি সিম কার্ড পাচারে ব্যবহার করা হচ্ছে এজেন্টদের। চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তদন্ত শুরু করেছে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here









