মিনাক্ষী দাসঃ উত্তর চব্বিশ পরগণাঃ বাড়ির সামনেই নর্দমা। সে নর্দমা খোলা। নর্দমার মধ্যে পড়েছিল একটি কালো প্লাস্টিক। বাড়ির সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখার পরও যখন মেলেনি, তখন দুঁদে কর্তাদের নজর পড়ে কচুরিপানায় ভরা নর্দমার ধারে ওই কালো প্লাস্টিকের ওপর। সেই প্লাস্টিক খুলতেই পর্দাফাঁস। উত্তর চব্বিশ পরগনার কাঁচরাপাড়ায় ফের বড়সড় অস্ত্রভাণ্ডারের হদিস পেল বীজপুর থানার পুলিশ।

কাঁচরাপাড়া পৌরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান কমল অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী অজয় কুমার মালিকে আগেই গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তাকে লাগাতার জিজ্ঞাসাবাদের পর বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য, যার ওপর ভিত্তি করে পুলিশ গ্রেফতার করেছে জগন্নাথ দাস ওরফে নানু নামের এক ব্যক্তিকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত অজয় মালি জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে যে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র গচ্ছিত রাখা ছিল নানুর কাছে। সেই তথ্যের সূত্র ধরে মঙ্গলবার বিকালে বীজপুর থানার পুলিশ কাঁচরাপাড়ার উত্তর কলোনি রেলওয়ে কোয়ার্টার সংলগ্ন এলাকায় একটি অভিযান চালায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত অজয় মালি জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে যে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র গচ্ছিত রাখা ছিল নানুর কাছে। সেই তথ্যের সূত্র ধরে মঙ্গলবার বিকালে বীজপুর থানার পুলিশ কাঁচরাপাড়ার উত্তর কলোনি রেলওয়ে কোয়ার্টার সংলগ্ন এলাকায় একটি অভিযান চালায়। সেখানে তল্লাশি চালানোর সময় একটি জলভর্তি নালায় লুকিয়ে রাখা একটি সন্দেহজনক নাইলনের ব্যাগ বাজেয়াপ্ত করা হয়। ব্যাগটি খুলে পুলিশ সেখান থেকে একটি ৯ মিমি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলিসহ একটি সিক্স-চেম্বার রিভলভার, দুটি ওয়ান-শটার দেশি আগ্নেয়াস্ত্র এবং অতিরিক্ত একটি জীবন্ত কার্তুজ উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া মোট আগ্নেয়াস্ত্র ও পাঁচ রাউন্ড জীবন্ত গুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই চক্রের পেছনে অন্য কোনও প্রভাবশালী বা গ্যাংয়ের হাত রয়েছে কি না, তা জানতে ধৃতদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here








