"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রকে বেধম প্রহারের অভিযোগে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়েছে

Share

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ বাঁকুড়াঃ বাঁকুড়ার ওন্দা হাইস্কুলে ক্লাসরুমে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রকে বেধড়ক মার। নাক দিয়ে রক্ত বেরিয়ে আসে ওই ছাত্রের। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ভিডিয়ো দেখে হাত, পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি অভিভাবকদের। এই ঘটনায় কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্কুলের ভিতরে এত বড় ঘটনা কী করে ঘটল, তা নিয়ে সরব অভিভাবকদেরই একাংশ। যদিও প্রধান শিক্ষক ফাল্গুনী মণ্ডল জানান, তাঁদের সেই সময়ে কেউ কিছু জানায়নি। পরে বিষয়টি জানতে পেরে পরিচালন সমিতির বৈঠক ডাকা হয়।

সূত্রের খবর, সপ্তম শ্রেণীর ওই ছাত্র স্কুল থেকে ফিরে কেমন একটা ঝিমিয়ে ছিল। রাতে বাড়িতে সে জানায় শরীর খারাপ লাগছে। এর পরেই সামনে আসে আসল ঘটনা। ওই ছাত্রের খুড়তুতো দাদার দাবি, কোনও মেয়েকে কিছু বলা নিয়ে অশান্তির সূত্রপাত। অষ্টম শ্রেণির একদল ছেলে ক্লাস সেভেনের ওই ছাত্রকে ঘিরে, ক্লাসরুমের দরজা বন্ধ করে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। বাড়িতে ফিরে ওই ছাত্র অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ওন্দা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আপাতত সেখানেই সে চিকিৎসাধীন। প্রশ্ন উঠেছে, এ ভাবে ক্লাসের ভিতরে এত বড় ঘটনা ঘটে গেল, শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী, কারও নজরে কিছুই এল না?

প্রধান শিক্ষক ফাল্গুনী মণ্ডলের দাবি, ‘‘আমাদের নজরদারি সব সময়েই আছে। এটা আসলে ছেলেদের মধ্যে মারামারি। অষ্টম শ্রেণির ওই পড়ুয়া সপ্তম শ্রেণির ছাত্রকে মেরেছে। বাইরের কোনও ঝামেলা নিয়ে স্কুলে অশান্তি। আমি সাড়ে ১০টায় স্কুলে এসে গিয়েছিলাম। ভিডিয়োয় দেখেছি, অনেক ছেলে সেখানে ছিল। আমাদের কাছে কেউ কিছুই জানায়নি। এমনকী সপ্তম শ্রেণির ছাত্র সে দিন পরীক্ষাও দিয়েছে। ও প্রথমে বাড়িতেও বলেনি। রাতে শরীর খারাপ লাগায় তখন বলেছে। বাড়ির লোকজনকে ডাকা হয়েছে।’’


কিন্তু এত বড় ঘটনায়, বাড়ির লোককে ডেকেই দায় সারতে পারেন স্কুল কর্তৃপক্ষ? প্রশ্ন অভিভাবকদের। এক অভিভাবক বলেন, ‘হয়তো আগে কোনও ঝামেলা হয়েছিল। কিন্তু তা বলে এ ভাবে স্কুলে মারবে, এটা হতে পারে না। এই কালচার স্কুলে চলে না। মাস্টারমশাইদের কোনও দায়বদ্ধতা নেই, দায়িত্ব নেই? এত বড় ঘটনা কারও নজরে এল না? আরও বড় কিছু ঘটতে পারত। আর কিছুক্ষণ মারলে তো মরেই যেত। কার ভরসায় স্কুলে পাঠাব বাচ্চাদের?’


DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

Share this article

Facebook
Twitter X
WhatsApp
Telegram
 
April 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930