রায়া দাসঃ কলকাতাঃ প্রয়াত টলিউড অভিনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ সকাল ১১টা ৩৫ মিনিট নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন। বর্তমানে জয় বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বিতীয় স্ত্রী অঙ্কিতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও মা’র সঙ্গে থাকতেন। ১৫ ই আগস্ট অভিনেতাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। ১৭ ই আগস্ট ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয়। আর এদিন চিরঘুমের দেশে চলে গেলেন।
নয়ের দশকে জয় বন্দ্য়োপাধ্যায়ের ব্যাপক জনপ্রিয়তা ছিল। অঞ্জন চৌধুরীর ‘হীরক জয়ন্তী’ থেকে শুরু করে ‘অভাগিনী’, ‘অপরূপা’, ‘জীবন মরণ’, ‘নাগমতি’, ‘মিলন তিথি’ সহ বহু ছবির নায়ক ছিলেন। ‘চপার’ ছবিতে জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিনয় বিশেষ ভাবে প্রশংসিত হয়েছিল। আবার বাস্তবে বহু নায়িকার সাথে নামও জুড়েছিল যার মধ্যে চুমকি চৌধুরীও ছিলেন। তবে তাঁর অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপনের জন্য বহুবার খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন। অভিনয়ের থেকে দূরে সরে গিয়ে রাজনীতিতে পা দিয়েও বিতর্কে পড়েন। আর রাজনীতির ময়দানে সহ অভিনেত্রী শতাব্দী রায় প্রতিপক্ষ ছিলেন।
২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে জয় বন্দ্যোপাধ্যায় শতাব্দী রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। কিন্তু পরাজিত হয়েছিলেন। এরপর ২০২১ সালে জয় বন্দ্যোপাধ্যায় আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি আর বিজেপির প্রতিনিধিত্ব করবেন না। তবে জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে টলিউডে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here
জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রয়াণের খবর পেয়েই শতাব্দী রায় সংবাদমাধ্যমকে জানালেন, ”নিজের জীবনটা একেবারে অগোছালো করে রেখেছিল জয়। নেশায় ডুবে গিয়েছিল। ফলে সুস্থ রইল না। আমার মনে হয়, নিজের উপর অত্য়াচার করেছে। না হলে তো জয়ের এটা চলে যাওয়ার বয়স নয়।”একই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের সুবাদে জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে শতাব্দী রায়ের বন্ধুত্ব ছিল। তবে রাজনীতিতে আসার পর তিক্ততা শুরু হয়। শতাব্দী রায়ের কথায়, ”জয় যখন আমার বিপক্ষে লোকসভা নির্বাচনে দাঁড়ায়, তখন আজেবাজে কথা বলত, সেই সময় ওর সাথে যোগাযোগ ছিন্ন হয়েছিল। পরে অবশ্য ফের কথা হয়েছিল।”