নিজস্ব সংবাদদাতাঃ মেদিনীপুরঃ আজ রাজ্যের দুই জেলা থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করল পুলিশ। আর এক জেলা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে।

এদিন পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুর স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রায় ১৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে জিআরপি। পাচারের অভিযোগে পাকড়াও হয়েছেন বিহারের এক বাসিন্দা। ধৃতের নাম আশিস কুমার। বয়স মাত্র ১৯ বছর। রেল সূত্রে খবর, ব্যাগ এবং সুটকেস ভরে ১২ কেজি ৯৫০ গ্রাম গাঁজা নিয়ে যাচ্ছিলেন আশিস। খড়্গপুর জিআরপি-র এসআরপি মিতুন দে জানান, দুপুর দেড়টা নাগাদ ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ট্রেনের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিলেন অভিযুক্ত। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে জানা যায়, ওড়িশা থেকে ট্রেন ধরেছিলেন ওই যুবক। ঝাড়খণ্ডের টাটানগরে গাঁজাপাচারের চেষ্টা করছিলেন তিনি। মঙ্গলবারই ধৃতকে আদালতে তোলা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অন্য দিকে, ডাক বিভাগের পার্সেল ভ্যান ব্যবহার করে গাঁজা পাচার করতে গিয়ে মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘিতে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছেন দুই পাচারকারী। সোমবার গভীর রাতে সাগরদিঘি থানার পুলিশ মোড়গ্রামের কাছে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে নাকা তল্লাশি চালিয়ে তাঁদের পাকড়াও করে। ধৃতদের নাম গোবিন্দ সরকার ও অধীর মণ্ডল। গোবিন্দ উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়ার বাসিন্দা এবং অধীরের বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলিতে। তাঁদের থেকে প্রায় ৬৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়েছে। ধৃতদের জেরা করে জানা গিয়েছে, উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে মাদক এনে কলকাতায় পাচারের ছক ছিল। নাকা তল্লাশি এড়াতে ডাক বিভাগের স্টিকার লাগানো গাড়ির কেবিনে গাঁজার বস্তা লুকিয়ে রেখেছিলেন।
Sponsored Ads
Display Your Ads Hereশুধু তাই নয়, পুলিশের সন্দেহ এড়াতে বস্তাগুলির গায়ে জাল সরকারি সিল এবং ট্যাগ ব্যবহার করা হয়েছিল। বাইরে থেকে বোঝার উপায় ছিল না যে ভিতরে চিঠিপত্র নয়, আছে নিষিদ্ধ মাদক। সোমবার গভীর রাতে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ এক জনকে গ্রেফতার করেছে সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আবুতারা স্টেশন সংলগ্ন খারিজা বানিয়াদহ এলাকা থেকে ওই ব্যক্তিকে ধরা হয়। ধৃতের নাম অজয় দেবনাথ। কোথা থেকে তিনি আগ্নেয়াস্ত্র পেয়েছিলেন, কী উদ্দেশ্য ছিল, সেই সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।











