মিনাক্ষী দাসঃ উত্তর চব্বিশ পরগণাঃ স্কুলের ঘরের মধ্যে পাওয়া গেল কন্ডোমের প্যাকেট। মদের বোতল। শুধু তাই নয় স্কুলের ছাত্রীদের ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ স্কুলেরই ছাত্রদের বিরুদ্ধে। আবার প্রধান শিক্ষক স্কুলে না এসেও হাজিরা খাতায় সই করেন। এমন সব অভিযোগে মঙ্গলবার উত্তর চব্বিশ পরগণার সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার স্কুলে পড়ুয়ারা বিক্ষোভ দেখাল।

এদিন পড়ুয়াদের বিক্ষোভ ঘিরে শোরগোল পড়ে। প্রধান শিক্ষককে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় তারা। খবর পেয়ে আসেন ন্যাজাট থানার রাজবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশকর্মীরা। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরব হন স্কুলের অন্য শিক্ষক শিক্ষিকারা। বিক্ষোভে সামিল হন অভিভাবকরাও। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিজের মর্জিমতো চলেন। স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের সমস্যা , অন্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সমস্যা, মিড ডে মিলের সমস্যা, কোনও কিছুই তিনি কর্ণপাত করেন না। এমনকী, তাঁকে কিছু বলতে গেলে তিনি স্কুলের অন্য শিক্ষক-শিক্ষিকা কিংবা ছাত্রছাত্রীদের ধমক দেন। পাশাপাশি নিজেও স্কুলে ঠিকমতো আসেন না। কিন্তু হাজিরা খাতায় সই করেন।

এক ছাত্রী বলে, “স্কুলের অবস্থা খুবই খারাপ। হেড মাস্টারকে জানালে তিনি বলেন, দেখছি। তারপর আরও কোনও ব্যবস্থা নেন না। এমনকি, কিছু বললে তিনি টিসি দেওয়ার ভয় দেখান। আমার এই হেড মাস্টারের পদত্যাগ চাই।” তপতী কর্মকার নামে স্কুলের এক শিক্ষিকা বলেন, “হেড মাস্টার স্কুলকে নিজের ব্যক্তিগত সম্পত্তি মনে করেন। যখন খুশি আসেন। আবার চলে যান। ওঁর অফিস রুমে বেডরুম আছে। এসি বসানো। আমাদের টয়লেট ব্যবহার করা যায় না। উনি সবাইকে ক্রীতদাস মনে করেন।”
Sponsored Ads
Display Your Ads Here
এদিন স্কুলের একটি ঘরের ভেতরে থেকে পাওয়া যায় কন্ডোমের প্যাকেট, মদের বোতল। এরপরই এদিন ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক এবং স্কুলের অন্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা একজোট হয়ে বিক্ষোভ দেখান। কোথা থেকে স্কুলে এসব এল, সেই প্রশ্ন উঠছে। প্রধান শিক্ষক মহম্মদ উজির আলি মোল্লা দাবি করেন, স্কুলে এই সব পাওয়া যায়নি। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।










