নিজস্ব সংবাদদাতাঃ হুগলীঃ এরাজ্যে বিধানসভা কিংবা লোকসভা ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের ভুরি ভুরি নজির রয়েছে। কিন্তু পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়নের ঘটনা খুব একটা নজরে আসেনি। এবার হুগলীর কোদালিয়া দু’নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা সেই ঘটনাী সাক্ষী থাকলেন। অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে অশান্তির আশঙ্কায় পঞ্চায়েত অফিসের বাইরে আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা এই ঘটনার খবর পেয়ে ডিম নিয়ে সেখানে জড়ো হন। তবে দিনভর টানাপড়েনের পর তৃণমূলেরই একটি অংশ গরহাজির থাকায় অনাস্থা প্রস্তাব জমা পড়েনি। গন্ডগোলের আশঙ্কার থাকলেও সে রকম কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে ওই পঞ্চায়েতের প্রধান হলেন বেলা মাঝি। তাঁকে সরিয়ে নতুন প্রধান নিয়োগ করতে চাইছেন তৃণমূলেরই একটি অংশ। অভিযোগ, গোটা ঘটনার পিছনে পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান বিদ্যুৎ বিশ্বাসের হাত রয়েছে। তিনিই বকলমে কলনাটি নাড়ছেন। রাজ্যে পালাবদলের পরে বিদ্যুৎ তাঁর স্ত্রী উর্মিলা বিশ্বাসকে প্রধান করতে চাইছেন। তারই ফলশ্রুতি হিসেবে কিছুদিন আগেই কিছু তৃণমূল সদস্য প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনে।

বহিরাগত কাউকে পঞ্চায়েতের ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। যদিও পঞ্চায়েত অফিসের বাইরে প্রচুর বিজেপি কর্মী-সমর্থক সেখানে ভিড় জমায়। তাঁদের কেউ কেউ পচা ডিম সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু তৃণমূল সদস্যরা না আসায় তাঁরা ডিম নিয়ে ফিরে যান। বিজেপির চুঁচুড়া ৪ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি রাজা দাস বলেন, ‘কোদালিয়া ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত দুর্নীতির আঁতুড় ঘর। সমস্ত সরকারি প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। সাধারণ মানুষ পরিষেবা থেকে বঞ্চিত। আগে যিনি প্রধান ছিলেন, তিনি তাঁর স্ত্রীকে প্রধান পদে বসানোর জন্য বর্তমান প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছেন। কিন্তু গ্রামবাসীরা সেটা কিছুতেই হতে দেবে না। আমরা চাই পঞ্চআমরা চাই পঞ্চায়েত স্বচ্ছভাবে চলুক।’সেই মতো এ দিন অনাস্থা প্রস্তাবের উপরে ভোটাভুটি হওয়ার কথা ছিল। তা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সকাল থেকেই বিশাল পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়।বহিরাগত কাউকে পঞ্চায়েতের ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। যদিও পঞ্চায়েত অফিসের বাইরে প্রচুর বিজেপি কর্মী-সমর্থক সেখানে ভিড় জমায়। তাঁদের কেউ কেউ পচা ডিম সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু তৃণমূল সদস্যরা না আসায় তাঁরা ডিম নিয়ে ফিরে যান। বিজেপির চুঁচুড়া ৪ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি রাজা দাস বলেন, ‘কোদালিয়া ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত দুর্নীতির আঁতুড় ঘর। সমস্ত সরকারি প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। সাধারণ মানুষ পরিষেবা থেকে বঞ্চিত। আগে যিনি প্রধান ছিলেন, তিনি তাঁর স্ত্রীকে প্রধান পদে বসানোর জন্য বর্তমান প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছেন। কিন্তু গ্রামবাসীরা সেটা কিছুতেই হতে দেবে না। আমরা চাই পঞ্চআমরা চাই পঞ্চায়েত স্বচ্ছভাবে চলুক।’
Sponsored Ads
Display Your Ads Here









