"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

Share

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ বীরভূমঃ তৃণমূল বিধায়ক মণিরুল ইসলামের উপস্থিতিতে ফরাক্কার বিডিও অফিসে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল শাসক দলের বিরুদ্ধে। এমনকী হিয়ারিং ক্যাম্পেও ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ। SIR-এর নামে ভোটারদের লাগাতার হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাঁদের। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল বিধায়ক। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষই ভাঙচুর করেছেন। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখছেন জঙ্গিপুরের মহকুমাশাসক। যদিও বিডিও-র তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি।

এ দিন বিডিও চত্বরে অবস্থান বিক্ষোভে বসেছিলেন BLO-রা। বিক্ষোভ চলাকালীনই ২০০ জন গণইস্তফা দেন। BLO নীর নাজের আলি বলেন, ‘কমিশনের নির্দেশ মেনে আমরা সমস্ত কাজ করছি। কিন্তু তার পরেও প্রতি দিন নিত্যনতুন নথি চাওয়া হচ্ছে। ফলে ১০-১৫ বার যেতে হচ্ছে একজন ভোটারের বাড়ি। এতে ক্ষুব্ধ তাঁরা। আর সেই ক্ষোভ এসে পড়ছে আমাদের উপরে।’ কমিশনের বিরুদ্ধে তুঘলকি আচরণেরও অভিযোগ করেন তাঁরা।

এই খবর পেয়েই দলবল নিয়ে বিডিও অফিসে হাজির হন ফরাক্কার তৃণমূল বিধায়ক মণিরুল ইসলাম। অভিযোগ, চোখের নিমেষে তাণ্ডব শুরু করেন তাঁরা। চেয়ার, টেবিল ভাঙচুর করেন। এমনকী বিডিও-কে চেয়ার ছুড়ে মারার অভিযোগও উঠেছে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। টেবিলের কাচ ভেঙে ছড়িয়ে পড়ে গোটা ঘরে। আতঙ্কে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে পড়েন বিডিও জুনায়েদ আহমেদ। অফিসের কর্মীরাও হতভম্ব হয়ে যান। ভাঙচুর করা হয় শুনানি কেন্দ্রেও। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে এ দিন হিয়ারিংয়ের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে খবর পেয়ে ফরাক্কা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয়।


ক্ষুব্ধ ফরাক্কার বিধায়ক মণিরুল ইসলাম বলেন, ‘জনগণের জন্য আইন। জনগণের ভোট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়ে এখন আধার কার্ডের-ভোটার কার্ডের-রেশন কার্ডের মান্যতা দেবে না আর জনগণ মেনে নেবে না।’ তবে ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। ক্ষুব্ধ জনতাই এ দিন রাগে, ক্ষোভে ওই ভাঙচুর চালিয়েছে বলে দাবি করেন মণিরুল। তাঁর কথায়, ‘ভাঙচুরের সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই।’ ধর্মীয় মেরুকরণের ভিত্তিতে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে অভিযোগ করে তিনি আরও বলেন, ‘রামের নাম শুনলে বলছে কোনও ডকুমেন্ট লাগবে না আর রহিমের নাম শুনলে তখন তার বংশের ঠিকুজি-কোষ্ঠী চাওয়া হচ্ছে।’

গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে জানিয়ে জঙ্গিপুরের মহকুমাশাসক সুধীরকুমার রেড্ডি বলেন, ‘বিডিও-কে ফরাক্কা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে বলা হয়েছে। এর পরে পুলিশ প্রশাসন তদন্ত করে দেখবে প্রকৃত ঘটনা কী ঘটেছে।’



DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

Share this article

Facebook
Twitter X
WhatsApp
Telegram
 
April 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930