ব্যুরো নিউজঃ দুবাইঃ মঙ্গলবার ইরানের লাগাতার মিসাইল ও ড্রোন হানার জেরে পরপর অন্তত পাঁচটি ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির এই স্বর্গরাজ্য। স্বাভাবিক ভাবেই এই ঘটনায় নাগরিকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক তৈরী হয়েছে। মূলত পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলিতে ইরান লাগাতার আক্রমণ চালাচ্ছে।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, দুবাইয়ের আকাশে ধেয়ে আসা মিসাইল প্রতিহত করতে গর্জে ওঠে শহরের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। তবে সেই নিরাপত্তার ফাঁক গলে ইরানের ছোড়া মিসাইল বা মিসাইলের ধ্বংসাবশেষ এসে পড়ছে শহরের বুকে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশে জারি করা হয়েছে হাই-অ্যালার্ট।
ইরান এই লাগাতার হামলা চালিয়ে গেলেও আমেরিকার সেক্রেটারি অফ ওয়ার বা যুদ্ধ সচিব, পিট হেগসেথ এ দিন দাবি করেছেন, আমেরিকার মারে ইরানের সামরিক বাহিনীর মনোবল নাকি একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। ইসফাহান প্রদেশের অস্ত্রাগারে আমেরিকার বাঙ্কার বাস্টার বোমা হামলার পরে ইরানের সেনারা দলে দলে রণক্ষেত্র ছেড়ে পালাচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। হেগসেথের দাবি, যাতে এই ধ্বংসলীলার ছবি বাইরে না আসে, তার জন্যই দেশে ইন্টারনেট পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে ইরান সরকার।
Sponsored Ads
Display Your Ads Hereআগামী কয়েকদিন এই যুদ্ধের জন্য অত্যন্ত নির্ণায়ক হতে চলেছে বলে জানিয়েছেন হেগসেথ। তিনি বলেছেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প খামোখা বিচলিত হন না এবং পিছুও হটেন না।’ ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যদি দ্রুত আমেরিকার সঙ্গে কোনও চুক্তি না করে, তবে আমেরিকা আরো ভয়াবহ হামলার পথে হাঁটতে পারে।










