রায়া দাসঃ কলকাতাঃ শপিং হোক বা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো, সকলের পছন্দের ডেস্টিনেশনের মধ্যে একটি দক্ষিণ কলকাতার সাউথ সিটি মল। আর এবার সাউথ সিটি মল এই প্রথম দুর্গাপুজোর আয়োজন করছে সাউথ সিটি মল কর্তৃপক্ষ। প্রথম বছরের দুর্গাপুজোর থিম ‘যাত্রা’। এই থিমের মাধ্যমে বাংলার হাট-বাজারের বিবর্তন থেকে শুরু করে কী ভাবে দুর্গাপুজো ক্রমশ সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে, সেই কাহিনিও তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। শিল্পকলা, প্রাচীন আচার-অনুষ্ঠান এবং বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মেলবন্ধনেই সাজানো হয়েছে মণ্ডপ। এদিন সকালে ১০৮ জন ঢাকি একসঙ্গে ঢাক বাজিয়ে পুজোর সূচনা করেন।

পাশাপাশি পুরুলিয়ার ঐতিহ্যবাহী ছৌ নৃত্য বাংলার লোকশিল্পের সমৃদ্ধ ধারাকে দর্শকদের সামনে তুলে ধরেন। কর্তৃপক্ষের দাবি, ‘‘শিল্পী, কারিগর ও পরিবেশনার সঙ্গে যুক্ত মানুষজনই এই পুজোর প্রাণ।’’ সাউথ সিটি মলের সেন্টার ডিরেক্টর দীপ বিশ্বাস বলেন, ‘‘আমাদের কর্মী, ভক্ত, ক্রেতা এবং দর্শনার্থীদের উপস্থিতি এই আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তুলবে। আমাদের কাছে উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি প্রত্যেক দর্শনার্থীর স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই অন্তঃসত্ত্বা মহিলা, প্রবীণ নাগরিক এবং ছোট শিশুদের নিয়ে আসা মায়েদের জন্য পৃথক লাইনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কোনও শিশু পরিবারের সদস্যদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লে যাতে সহজেই তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া যায়, সে জন্য শিশুদের হাতে বিশেষ রিস্টব্যান্ড পরানোর ব্যবস্থাও থাকছে।’’

প্রণামের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে প্রবীণ নাগরিকদেরও যত্ন ও উৎসবের পরিসরের মধ্যে সামিল করার প্রচেষ্টা রয়েছে। এছাড়া এও জানিয়েছেন যে, দীপ বলেন, ‘‘আমাদের এই প্রথম দুর্গাপুজোর সার্থকতা নির্ভর করছে একটি বিষয়েই। প্রতিটি প্রজন্মের মানুষ যেন এখানে নিজেদের জন্য জায়গা খুঁজে পান। ঢাকের শব্দে মুগ্ধ হয়ে ওঠা কোনও শিশু হোক কিংবা পুরোনো স্মৃতিতে ফিরে যাওয়া কোনও প্রবীণ মানুষ, সকলেই যেন এই উৎসবের সঙ্গে আত্মিক যোগ অনুভব করেন।’’
Sponsored Ads
Display Your Ads Here









