নিউজ ডেস্কঃ অন্ধ্রপ্রদেশঃ অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের তাণ্ডব কমেছে। IMD-র ডিরেক্টর জানান, শেষ হয়েছে ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া। মঙ্গলবার রাত ২টো থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত তছনছ করেছে উপকূলবর্তী এলাকা। কাঁকিনাড়া জেলায় সমুদ্রের জল রাস্তা পার করে এসে লোকের বাড়িতে পর্যন্ত ঢুকে পড়েছে। বহু ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অন্ধ্রের উপকূল সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন। মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার ভোর ৫টা পর্যন্ত বিশাখাপত্তনমে বৃষ্টি হয়েছে ২১৬ মিলিমিটার, কলিঙ্গপত্তনমে ১৪৭ মিলিমিটার, কাঁকিনাড়ায় ১১৮ মিলিমিটার। মছলিপত্তনমে ১১৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া, আনাকাপল্লি, কোনাসীমা, পূর্ব গোদাবরী, পশ্চিম গোদাবরী, এলুরু, এনটিআর ও কৃষ্ণা জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। স্থানীয় এক জন বাসিন্দার কথায়, ‘‘এই ঘূর্ণিঝড় আমাদের সবটা কেড়ে নিয়েছে। আমাদের বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যে টুকু পরে আছি, সেই পোশাক ছাড়া আর কিছুই নেই। আমাদের অনুরোধ সরকার আমাদের সহযোগিতা করুক, পাশে এসে দাঁড়াক। আমাদের আর্থিক ভাবে এবং জীবন নতুন করে শুরু করার জন্য সহযোগিতা করুক।’’

ইতিমধ্যেই ঘূর্ণিঝড় স্থলভাগে প্রবেশ করে গিয়েছে। তবে এখনও ঝড়ের দাপট চলবে বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশায়। লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে এই দুই রাজ্যে। ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের পরোক্ষ প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলোতেও মেঘলা আকাশ এবং ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে। ঘূর্ণিঝড় ছত্তিসগড়ের দিকে অগ্রসর হওয়ায় রাজ্যের বস্তার-সহ বেশ কয়েকটি জেলায় বুধ ও বৃহস্পতিবার ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ছত্তিসগড় সরকার ইতিমধ্যেই সব জেলার প্রশাসনকে হাই অ্যালার্টে রেখেছে এবং ২৪ ঘণ্টা ত্রাণ শিবির চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here









