"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে উঠে আসছে হিংসার প্রতিচ্ছবি

Share

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ ভোট মিটতেই আবার হিংসার ঘটনা রাজ্যে। কোথাও গলা কেটে খুন করা হলো তৃণমূল কর্মীকে। কোথাও আবার বিজয় উৎসব সেরে ফেরার পথে খুন হয়ে গেলেন বিজেপি কর্মী। মঙ্গলবার বীরভূমের নানুরের সন্তোষপুরে তৃণমূলের বুথ সভাপতি আবির শেখকে গলা কেটে খুন করার অভিযোগ উঠেছে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। রক্তাক্ত অবস্থায় আরও এক তৃণমূল কর্মীকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে। এই ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই উত্তপ্ত নানুর। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশের বড় বাহিনীও পৌঁছেছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত চলছে। তবে এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হননি।

নানুরের তৃণমূল বিধায়ক বিধানচন্দ্র মাজি বলেন, ‘বিজেপির লোকেরা চারিদিকে তাণ্ডব চালাচ্ছে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে ওই বুথ সভাপতির গলা কেটে দিয়েছে। আরও একজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে। তার অবস্থাও শোচনীয়। তৃণমূল কর্মীদের ঘরবাড়ি, পার্টি অফিসেও ভাঙচুর চলছে।’ শান্তিনিকেতনে স্টেট ব্যাঙ্কের সামনে তৃণমূলের মুখপাত্র জামশেদ আলি খানকেও মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। ঘটনার একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে। সেটির সত্যতা এই সময় অনলাইন যাচাই করেনি। তবে ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, গলায় গেরুয়া উত্তরীয় পরে কয়েক জন ঘিরে ধরে মারধর করছেন জামশেদকে। যদিও, তৃণমূলের অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।

ভোটের ফল প্রকাশের পর বিজয় উৎসব সেরে বাড়ি ফেরার পথে হাওড়ার এক বিজেপিকর্মীকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। তারা তৃণমূলের মদতপুষ্ট বলে অভিযোগ। সোমবার রাতে উদয়নারায়ণপুরের দক্ষিণ মানশ্রী গ্রামের ঘটনা। মৃতের নাম যাদব বর। তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে উদয়নারায়ণপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য উলুবেড়িয়া শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়েছে।


উদয়নারায়ণপুরের বিজেপি নেতা প্রভাকর পণ্ডিত বলেন, ‘যাদব বর আমাদের দলের সক্রিয় কর্মী। সোমবার রাতে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আনন্দ করে বাড়ি ফেরার পথে যাদবকে একা পেয়ে ব্যাপক মারধর করা হয়। পরে হাসপাতালে ওর মৃত্যু হয়।’ যদিও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, ভোটের পর দিকে দিকে তাঁদের দলের কর্মীরাই মার খাচ্ছেন। তাই বিজেপির অভিযোগ ভিত্তিহীন।


DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

Share this article

Facebook
Twitter X
WhatsApp
Telegram
 
September 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930