পিঙ্কি পালঃ দক্ষিণ চব্বিশ পরগণাঃ পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে বারুইপুরকাণ্ডে অন্যতম এক অভিযুক্তের। ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে গুলি চালিয়েছিল ওই অভিযুক্ত। পাল্টা পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে তার। ছেলের মৃত্যুর খবর পুলিশের কাছ থেকে পেয়েছেন মৃত অভিযুক্তের মা। ছেলের মৃত্যুতে দুঃখিত নন তিনি। স্পষ্ট জানালেন, ছেলের মৃতদেহ আনতেও হাসপাতালে যাবেন না তিনি। নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনে তাঁর ছেলে গ্রেফতার হওয়ার পরই অন্যতম এই অভিযুক্তের মা জানিয়েছিলেন, ছেলের শাস্তি হোক।

এদিন পুলিশের কাছ থেকে ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে বলেন, “পুলিশ এসে বলে গেল, মারা গিয়েছে। কীভাবে মারা গিয়েছে বলেনি। পুলিশ শুধু বলে গেল, মৃতদেহ বারুইপুর হাসপাতালে রয়েছে। দেখবেন যদি চলুন।” তবে ছেলের মৃতদেহ তিনি দেখতে যাবেন না বলে জানালেন। পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশের গুলিতে ছেলের মৃত্যু হয়েছে জানতে পেরে তিনি বলেন, “ঠিক হয়েছে। ভালো হয়েছে। আমি এখন বলছি, ওর মৃতদেহ আনার কেউ নেই। দেখার কেউ নেই। পুলিশ যা করার করুক। ও যা কর্ম করেছে, তাতেই মৃত্যু হয়েছে। খুব ভালোই হয়েছে। আর দেখে কী করব। ও যদি সুখে শান্তিতে মরত, তাহলে দেখতাম।”

ছেলের মৃত্যুতে তিনি কষ্ট পাননি জানিয়ে বলেন, “বাচ্চা মেয়েটি যেমন কষ্ট পেয়ে মরেছে। ও তেমন মরেছে। আমার একদম দুঃখ নেই।” প্রসঙ্গত, পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অপরাধের পুনর্নির্মাণের জন্য পুলিশ গতকাল, মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্তকে নিয়ে বারুইপুরের সূর্যপূরে নিয়ে গিয়েছিল। রাত ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ অভিযুক্ত আচমকাই পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশকে লক্ষ্য করে এক রাউন্ড গুলি চালায়। তখন পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে অভিযুক্তকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here









