"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

দুপুর হলেই ডেস্কে বসে ঝিমুনি? এই পাঁচ টোটকা কাটিয়ে দেবে আপনার ঘুম

Share

মিনাক্ষী দাসঃ সকালবেলা ফিটফাট হয়ে অফিসে যাচ্ছেন। কিন্তু ঘড়ির কাঁটা দুপুরবেলা ২টো পেরোলেই সব কেমন ওলটপালট হয়ে যায়। লাঞ্চের পর ডেস্কে বসে কাজ করতে গেলে অনেকেরই একরাশ ক্লান্তিতে চোখ জুড়িয়ে আসে। কম্পিউটারের স্ক্রিনটা ঝাপসা হতে থাকে। বিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘আফটারনুন স্লাম্প’ বলা হয়। এই ঝিমুনি কাটাতে অনেকেই বারবার চা বা কফিতে চুমুক দেন। তবে তাতে সাময়িক কাজ হলেও স্নায়ুর ওপর দীর্ঘস্থায়ী চাপ পড়ে। তাই খাবার বা ক্যাফিনের ওপর নির্ভর না করে অভ্যাসের কিছু পরিবতন করলেই এই ঝিমুনিকে বিদায় জানানো সম্ভব।

ঠাণ্ডা জলঃ একটানা কম্পিউটারের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে অপটিক নার্ভ ক্লান্ত হয়ে পড়ে, যার ফলে ব্রেন বিশ্রাম নিতে চায়। তাই প্রতি ২০ মিনিট অন্তর স্ক্রিন থেকে চোখ সরিয়ে ২০ ফুট দূরের কোনও বস্তুর দিকে অন্তত ২০ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকুন। মাঝে মাঝে চোখে ঠান্ডা জলের ঝাপটা দিয়ে ধুয়ে নিলে স্নায়ু সতেজ হয় এবং ঝিমুনি ভাব নিমেষে কেটে গিয়েছে বলে মনে হবে।

হাইড্রেটেড থাকাঃ অনেক সময় ক্লান্তি মানেই ঘুমের অভাব নয়, বরং শরীরের জলশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ। শরীরে জলের অভাব হলে রক্ত সঞ্চালন ধীর হয়ে যায়, ফলে মস্তিষ্ক সজাগ থাকতে পারে না। ডেস্কে সবসময় কাচের বোতলে জল রাখুন। সামান্য জল খাওয়ার অভ্যাস আপনার শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়িয়ে দেবে এবং ঝিমুনি কাটিয়ে কর্মক্ষমতা বাড়াবে।


ডিপ ব্রিদিং বা বক্স ব্রিদিংঃ ডেস্কে বসেই সোজা হয়ে বসে চোখ বন্ধ করুন। চার সেকেন্ড ধরে গভীর শ্বাস নিন, চার সেকেন্ড ধরে রাখুন এবং চার সেকেন্ড ধরে ছাড়ুন। এই পদ্ধতিতে ফুসফুসে প্রচুর পরিমাণ অক্সিজেন প্রবেশ করে এবং শরীর থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড বেরিয়ে যায়। এটি আপনার ঝিমিয়ে পড়া মস্তিষ্ককে রিচার্জ করার সবথেকে দ্রুত ও সহজ উপায়।

‘ওয়াক অ্যান্ড টক’ পদ্ধতঃএক জায়গায় দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে শরীরে মেলানিন বা ঘুমের হরমোন বাড়তে থাকে। তাই ঝিমুনি আসলে সিট ছেড়ে একটু উঠে দাঁড়ান। সহকর্মীর সঙ্গে জরুরি কোনও আলোচনা থাকলে সেটা বসে না করে পায়চারি করতে করতে সেরে ফেলুন। মাত্র ৫ মিনিটের হাঁটাহাঁটিতেই শরীরে এনার্জি আসবে।‘ওয়াক অ্যান্ড টক’ পদ্ধতঃ


সাইট্রাস ঘ্রাণের রিফ্রেশমেন্টঃ ঘ্রাণশক্তি আমাদের মস্তিষ্কের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। অফিসের ব্যাগে ছোট এক শিশি লেবু বা মেন্থলের এসেনশিয়াল অয়েল রাখতে পারেন। খুব ঘুম পেলে সামান্য ঘ্রাণ নিন। এর কড়া গন্ধ সরাসরি মস্তিষ্কের ‘অ্যালার্টনেস’ কেন্দ্রকে সজাগ করে তোলে। একে বিজ্ঞানের ভাষায় ‘অ্যারোমাথেরাপি’ বলা হয়, যা মনোযোগ ফেরাতে দারুণ কার্যকর।


DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

 
October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031