"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার গোটা পরিবারের দেহ

Share

ব্যুরো নিউজঃ বাংলাদেশঃ বাংলাদেশের রংপুর শহরে তালাবন্ধ বাড়ির ভিতর থেকে এক অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে এবং ১২ বছরের ছেলের মৃতদেহ উদ্ধার হল। শনিবার গভীর রাতে তাঁদের দেহ উদ্ধার করা হয়। দেহগুলি বাড়ির ভিতরে বিভিন্ন জায়গায় পড়ে ছিল। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়ে থাকতে পারে গোটা পরিবারকে।

রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক নজমুল কাদের জানিয়েছেন, রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ বাড়ি থেকে চারজনের দেহ উদ্ধার করা হয়। মৃতরা হবেন রংপুর জেলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী ৫০ বছরের প্রীতিলতা চক্রবর্তী, ২৩ বছরের মেয়ে আগমী চক্রবর্তী প্রার্থী এবং ১২ বছরের ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী। রংপুর মেট্রোপলিটন CID-এর ইনচার্জ সুবীর চৌধুরী জানিয়েছেন, বাড়ির সিঁড়ি থেকে প্রীতিলতা ও আগমীর দেহ উদ্ধার করা হয়। ছাদ থেকে উদ্ধার হয় গণপতির দেহ। আর প্রিয়মের দেহ পাওয়া যায় একটি খাটের নিচে।

সুবীর চৌধুরী বলেন, প্রাথমিকভাবে তাঁদের শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে শুক্রবার ভোরের মধ্যে হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে অনুমান পুলিশের। ঘটনার তদন্তে পুলিশ, CID এবং গোয়েন্দা বিভাগের একাধিক দল যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, বৃহস্পতিবার রাত থেকেই চারজনের মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল। প্রীতিলতার বোন পূজা চক্রবর্তী জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে শেষবার দিদির সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছিল। এরপর ফোনে যোগাযোগ করা না যাওয়ায় শনিবার রাতে আত্মীয়রা ওই বাড়িতে যান। বাড়ির মূল গেট বাইরে থেকে তালাবন্ধ ছিল।


ভিতরের সমস্ত আলোও বন্ধ ছিল। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তালা ভেঙে বাড়ির ভিতরে ঢোকে। তখনই চারজনের দেহ দেখতে পায় পুলিশ। পূজা জানিয়েছেন, সম্প্রতি ওই এলাকায় নতুন বাড়ি তৈরি করেছিলেন তাঁরা। গণপতি চক্রবর্তী গণপতি চক্রবর্তীর সঙ্গে কারও কোনও বিবাদ ছিল বলে তাঁর জানা নেই। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর রংপুর জেলা স্কুলের শিক্ষক হিসেবে অবসর নেন গণপতি চক্রবর্তী। তাঁর মেয়ে এ বছর রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর ১২ বছরের ছেলে রংপুর জেলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল। 

গণপতির ভাইঝি সোমা চক্রবর্তী জানিয়েছেন, তাঁর কাকার কোনও শত্রু ছিল না। অবসর নেওয়ার পর তিনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার কাজ শুরু করেছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দা সুধাংশু চন্দ্র দাস জানিয়েছেন, প্রায় চার বছর ধরে ওই এলাকায় বসবাস করছিল পরিবারটি। গণপতি তিনতলা বাড়িটি তৈরি করেছিলেন। তবে বাড়িটির নির্মাণকাজ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মহম্মদ আবদুল মাবুদ জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। একইসঙ্গে ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চের আধিকারিকরা কীভাবে এই ঘটনা ঘটল এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা খতিয়ে দেখছেন।


DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

Share this article

Facebook
Twitter X
WhatsApp
Telegram
 
September 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930