রায়া দাসঃ কলকাতাঃ মধ্য রাতে দক্ষিণ কলকাতার নামকরা দুর্গাপুজোর ক্লাবেই দুষ্কৃতীদের হামলা। চলল ভাঙচুর। মারধরও করা হয় ক্লাবের এক সদস্যকে। বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন স্থানীয় কাউন্সিলর। যদিও বিজেপি সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

মধ্য রাতে হরিদেবপুরের অজেয় সংহতি ক্লাবে দুষ্কৃতী হামলা। ৬১ বছর পুরনো ক্লাব অজেয় সংহতি। অভিযোগ, রবিবার মধ্য রাতে বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী হঠাৎ চড়াও হয়। ক্লাবে ঢুকে কয়েকজন সদস্যকে বেধড়ক মারধর করে। অরিজিৎ নন্দী নামে ক্লাবের এক সদস্যকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয় কাউন্সিলর রত্না সুরের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেয় তাঁরা। ইতিমধ্যেই হামলার সেই সিসিটিভি ফুটেজও সামনে এসেছে।

আহত অরিজিৎ নন্দী বলেন, “কোনও রাজনৈতিক রঙ দেখে নয়। যে ক্লাবটাকে আমরা তৈরি করেছি। তিলে তিলে পুজোটাকে বড় করেছি, সেটাকে ভেঙে দিয়েছে। সমস্ত সিসিটিভির ড্রাইভ নিয়ে চলে গিয়েছে। ক্লাবে গেলেই বুঝতে পারবেন যে ক্লাবটাকে ভেঙে দিয়ে গিয়েছে। আমি নিজের শরীর নিয়ে চিন্তিত নই, আমার ক্লাবটাকে নিয়ে চিন্তিত। অজেয় সংহতি ক্লাব কলকাতার অন্যতম বড় পুজো। সেই ক্লাবের পুজো নিয়ে চিন্তিত।” এদিকে, এই ঘটনার পরই পুলিশের বিরুদ্ধে চরম নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ করেছেন কাউন্সিলর। তাঁর দাবি, বেশ কয়েকবার হরিদেবপুর থানায় ওসিকে ফোন করেছিলেন তিনি, কিন্তু কোনও লাভ হয়নি।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here
কাউন্সিলর রত্না সুরের বক্তব্য, “রাজনৈতিক পরিচয় তৃণমূল বলেই আক্রমণ করছে বিজেপি। এর আগেও তাদের কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর হয়েছে, দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেগুলো রাজনৈতিক বিষয়, কিন্তু অজেয় সংহতির মত ক্লাব যেখানে পুজোর কাজ চলছে, সেখানে মধ্য রাতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা হচ্ছে, এটা সামাজিক ইস্যু।” দিলীপ ঘোষ বলেন, “এটা এখন সহজ পন্থা হয়ে গিয়েছে, বিজেপি যেহেতু ক্ষমতায় আছে। বিজেপির কোনও দায় নেই, বিজেপির কোনও রুচি নেই। ৫০ বছর ধরে বাংলায় হিংসার রাজনীতি চলছে। মানুষের রক্তে রক্তে ঢুকে গিয়েছে বিষয়টা। বের করতে সময় লাগবে।”










