"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

মুখ্যমন্ত্রীকে খুনের ছক কষতেই পুলিশের জালে ধরা পড়লো জইশ জঙ্গি

Share

রায়া দাসঃ কলকাতাঃ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে খুনের ছক! এরপরই গ্রেফতার জইশ জঙ্গি। হামিদ মন্ডল নামে এক কাশ্মীরী জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল এসটিএফ ও বর্ধমান পুলিশ। হামিল সাজ্জাদ ভাট গোষ্ঠীর সদস্য এই হামিদ। এই জঙ্গিগোষ্ঠী মূলত পাকিস্তানের সংগঠন। এরা টাকার বিনিময়ে খুন, তোলাবাজি ও সন্ত্রাসবাদী কাজ করে। এই সংগঠন বিগত কয়েক বছর ধরে কাশ্মীরে মাথাচাড়া দিয়েছে। এবার বাংলাতেও সেই জঙ্গি সংগঠনের সদস্যের খোঁজ মিলল।

সূত্রের খবর, পূর্ব ভারতে ক্রমশ জাল বিস্তার করছে সাজ্জাদ ভাট্টি গোষ্ঠী। হামিদকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল পূর্ব ভারতে এই জাল বিস্তারের। মগজ ধোলাই করত সে। পাশাপাশি সংগঠনের কাজ বিস্তারের জন্য কেউ এলে, তাকে সবরকমভাবে সাহায্য করা। জানা গিয়েছে, হাওড়ার পিলখানার বাসিন্দা হামিদ। তাঁর বাবা গেঞ্জির কারখানায় কাজ করত। সে-ও তাঁর বাবার সঙ্গেই ওই কারখানায় কাজ করত। বিগত দুই থেকে তিন মাস ধরেই হামিদ বর্ধমানে থাকছিল, ঠিক যেই সময়ে রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। বর্ধমানে বসেই কি তবে মুখ্যমন্ত্রীর উপরে হামলার ছক কষছিল? গোয়েন্দারা এই তথ্যই খতিয়ে দেখছে।

বর্ধমানের যে রেনেসাঁ হাউসিং থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেই হাউসিং সোশ্যাইটি বর্ধমানের হাইওয়ের উপরই অবস্থিত। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নানা কর্মসূচিতে গোটা রাজ্য চষে বেড়াচ্ছেন। এদিকে, এক সপ্তাহের মধ্যে দুই রাজ্য থেকে সাজ্জাদ ভাট্টি গোষ্ঠীর জঙ্গিরা জালে ধরা পড়েছে। এর আগে অসম পুলিশ পাকিস্তানের শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত একটি সন্ত্রাসী মডিউলের সন্ধান পায়। গত শনিবার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এই রাজ্য থেকে তিন সন্দেহভাজন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। গত শুক্রবার ধুবড়ি, চিরাং ও বরপেটা জেলার স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) অভিযান চালায়। অভিযানে ৫টি মোবাইল ফোন, ৭টি সিম কার্ড, আধার কার্ড, ব্যাঙ্ক পাসবুক, ডেবিট কার্ড এবং সন্দেহজনক নথিপত্রও বাজেয়াপ্ত করা হয়।


জানা গিয়েছে, এই নেটওয়ার্কটি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সদস্য সংগ্রহ, অনলাইনে উগ্রবাদে উদ্বুদ্ধকরণ, রেইকি , লজিস্টিক সহায়তা, গুপ্তচরবৃত্তি, অবৈধভাবে অস্ত্র সংগ্রহ, স্লিপার সেল গঠন এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সহায়তা করার মতো কাজে জড়িত ছিল। আরও জানা গিয়েছে, এই নেটওয়ার্কটি পাকিস্তানের হ্যান্ডলার এবং এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে,  আইএসআই (ISI)-সহযোগিতায় কাজ চালাত।  ২০২৬ সালে ২২ ফেব্রুয়ারি এবং ২৪ মে পঞ্জাব পুলিশের কর্মীদের ওপর দুটি ‘টার্গেটেড কিলিং’ বা সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছিল টিটিএইচ। নলবাড়ি জেলায় একটি তদন্তের সময় অসমে এই নেটওয়ার্কের কার্যকলাপ প্রথম নজরে আসে, যার জেরে ২২ মে এক সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।


DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

Share this article

Facebook
Twitter X
WhatsApp
Telegram
 
September 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930