পিঙ্কি পালঃ দক্ষিণ চব্বিশ পরগণাঃ পালাবদলের পরেও ভাঙড়ে জমি দখলের অভিযোগ থামল না। অভিযুক্ত আইএসএফ নেতা আরাবুল ইসলামের দুই ঘনিষ্ঠ। অভিযোগ, বাসন্তী রাজ্য সড়কের পাশে ৯ বিঘা জমির একটি প্লটের অর্ধেক জমি কব্জা করার চেষ্টা করছেন আরাবুল ঘনিষ্ঠ দুই যুবক। জমির প্রবেশদ্বারে তালা ঝুলিয়ে দখলের চেষ্টা এবং কর্মীদের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে আরাবুলের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
অভিযোগ অস্বীকার করে আরাবুলের বক্তব্য, ‘ওখানে সাড়ে চার বিঘা জমি আমার এক আত্মীয়ের নামে রেকর্ড আছে। তার সমস্ত নথি আমাদের কাছে আছে। যারা অভিযোগ করছে তারাই আমাদের জমি দখল করছে। ভাঙড়ের বড়ালিঘাটে মাসুদ আলম নামে কলকাতার এক ব্যবসায়ী প্রায় ৯ বিঘা জমি কেনেন বেশ কয়েক বছর আগে। তাঁর কাছে বৈধ সমস্ত কাগজপত্র রয়েছে। সেই জমির উপরেই সম্প্রতি লালবাবু মোল্লা ওরফে আলতু এবং ফারাকুল ইসলাম কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এসে ওই জমির মেন গেটে তালা ঝুলিয়ে দেন বলে অভিযোগ। লালবাবু ও ফারাকুল দু’জনেই আরাবুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ।
মাসুদের অভিযোগ, তাঁর কেনা জমিতে জোর করে দখলের চেষ্টা হচ্ছে। এমনকি গেটে তালা লাগিয়ে সংস্থার কর্মীদের জমিতে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় এবং ভয় দেখিয়ে জমির দখল নেওয়ারও চেষ্টা করা হয়। যদিও লালবাবু ও ফারাকুল ঘনিষ্ঠদের দাবি, বিতর্কিত জমির মধ্যে প্রায় সাড়ে চার বিঘা জমি তাঁদের মালিকানাধীন। তবে সেই দাবির স্বপক্ষে কোনও নথি তাঁরা দেখাতে পারেননি। ঘটনার পরেই ভাঙড় থানার পাশাপাশি ভাঙড় ডিভিশনের পুলিশ আধিকারিকের দপ্তরেও লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন মাসুদ আলম। লালবাবু মোল্লার প্রতিক্রিয়া জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
Sponsored Ads
Display Your Ads Hereভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি এই প্রসঙ্গে জানান, ‘ভাঙড়ে তোলাবাজদের কোনও স্থান নেই। অভিযোগ দায়ের হলে, অবশ্যই প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। যাদের নামে অভিযোগ উঠেছে তারা প্রকৃত দায়ী হলে অবশ্যই তাদের শাস্তি পাওয়া উচিত।









