নিজস্ব সংবাদদাতাঃ আসামঃ গতকাল আসামের চড়াইদেও জেলার তেঙ্গাপুখুরি থানা এলাকার লাকোয়া অভয়পুরি গ্রামে প্রবল বৃষ্টিতে হঠাৎ নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ার কারণে ৫ জন ভেসে গিয়েছে। মঙ্গলবারের ঘটনায় লাকোয়া অভয়পুরি গ্রামের বাসিন্দা রোহিণী দুয়ারা, টুটুমণি দুয়ারা, তাঁদের মেয়ে বিদিশা দুয়ারা এবং দুই ছেলে বিদ্যুৎ দুয়ারা এবং বিপ্লব দুয়ারা ভেসে গিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার প্রবল বৃষ্টির কারণে নদীর জলস্তর হঠাৎই বেড়ে যায়। সেই সময়ে বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন দুয়ারা পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু আচমকা জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় তাঁরা সেখান থেকে বেরোতে পারেননি। প্রবল জলের তোড়ে ভেসে যান রোহিণী, টুটুমণি এবং তাঁদের মেয়ে বিদিশা। তাঁদের উদ্ধার করতে গিয়ে রোহিণী এবং টুটুমণির দুই ছেলে বিদ্যুৎ এবং বিপ্লবও ভেসে যান। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনার পরেই তাঁরা জেলার বন্যা মোকাবিলা বাহিনীর হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করেছিলেন। অভিযোগ, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও কোনও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছয়নি।

জেলাশাসক নেহা যাদবের তরফ থেকেও সাহায্যের আশ্বাস মিললেও নিখোঁজদের খোঁজার জন্য কোনও উদ্ধারকারী দল এসে পৌঁছয়নি। প্রশাসনের কাছে নিখোঁজদের খুঁজে বের করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা সূত্রের খবর, ১৬টি জেলার অন্তত ৭৯৪টি গ্রামের ৩,৬২,৯৩৩ জন মানুষ বিপদে পড়েছেন। শিবসাগর, চড়াইদেও, বিশ্বনাথ, গোলাঘাট, ডিব্রুগড়, সোনিতপুর, কামরূপ, উদলগিরির অবস্থা সবথেকে খারাপ। বহু জায়গাতেই বাড়ির মধ্যে জল ঢুকে গিয়েছে। জলবন্দি হয়ে উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন বাসিন্দারা। সোমবার পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here
স্থানীয়দের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পরপরই তাঁরা জেলার বন্যা মোকাবিলা বাহিনীর হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করেছিলেন, কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও কোনও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছয়নি। এমনকি জেলাশাসক নেহা যাদবের তরফ থেকে সাহায্যের আশ্বাস মিললেও নিখোঁজদের খোঁজার জন্য যথাসময়ে কোনও উদ্ধারকারী দল আসেনি।










