"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

ফের চিকিৎসক নিগ্রহের অভিযোগ উঠেছে মেডিকেল কলেজে

Share

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ মুর্শিদাবাদঃ চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগে মুর্শিদাবাদের মেডিকেল কলেজের এক মহিলা জুনিয়র চিকিৎসককে হেনস্থা ও মারধর করায় জুনিয়র চিকিৎসকদের সংগঠন অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে। এর জেরে মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজে আগত রোগীরা ঘোর বিপাকে পড়েছেন।

রোগীর পরিবারের তরফে অভিযোগ ওঠে যে, “দুর্ঘটনায় মাথায় ও হাতে গুরুতর আহত এক জন ব্যক্তিকে চিকিৎসকেরা প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেন। বার বার আবেদন করা সত্ত্বেও ড্রেসিং করানো হয়নি। এছাড়া কর্তব্যরত ওই মহিলা চিকিৎসক সহকর্মীদের সাথে গল্পে মশগুল ছিলেন ” এই নিয়ে হাসপাতালের শল্য বিভাগের সামনে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। 

পরে দায়িত্বে থাকা এক জুনিয়র চিকিৎসককে মারধরও করা হয়। জুনিয়র চিকিৎসকদের সংগঠনের পক্ষ থেকে আকাশদীপ ঘোষ জানান, “শনিবার মধ্যরাতে দুর্ঘটনায় আহত এক জন ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। রবিবার অবস্থা স্থিতিশীল হওয়ায় ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু তাও রোগীর পরিবার চিকিৎসকদের হেনস্থা করেছেন।”


তবে রোগীর পরিবার চিকিৎসকদের এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, “এখন জুনিয়র চিকিৎসকরা নিজেদের গাফিলতি ঢাকতে এখন মারধরের গল্প বলছেন।


অবস্থানে বসে থাকা জুনিয়র চিকিৎসকেরা বলেছেন, ‘‘বার বার চিকিৎসক নিগ্রহের ঘটনা ঘটলেও কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। তাই এভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা যাবে না। যত ক্ষণ না দোষীদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়, ততক্ষণ এই কর্মবিরতি চলবে।’’ যদিও বহরমপুর থানার পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন।


এই ঘটনায় মেডিকেল কলেজের সুপার একে বেরা জানিয়েছেন, ‘‘বিষয়টি পুরোপুরি জানা নেই। সব কিছু জানার পর যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।” হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের একাংশ অবশ্য দাবী করেছেন, “দুই পক্ষের সাথে কথা বলা হয়েছে। মিটমাট হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েক জন জুনিয়র চিকিৎসক কাজে যোগও দিয়েছেন।”

DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

Share this article

Facebook
Twitter X
WhatsApp
Telegram
 
September 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930